নেতিবাচক সংবাদ প্রদর্শনে গুগলের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের আইনি হুমকি।

 নেতিবাচক সংবাদ প্রদর্শনে গুগলের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের আইনি হুমকি।


      সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও গুগলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। শুক্রবার এক পোস্টে তিনি বলেন, আগামী ৫ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি গুগলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবেন। ট্রাম্পের দাবি, গুগল ইচ্ছাকৃতভাবে তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ দেখায়, যা নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।


নেতিবাচক সংবাদ, প্রমাণবিহীন দাবি:


       Truth Social-এ ট্রাম্পের পোস্টে বলা হয়, গুগল একটি অবৈধ পদ্ধতি ব্যবহার করছে, যেখানে শুধু তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও নেতিবাচক সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। আর ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস সম্পর্কে শুধুমাত্র ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে ট্রাম্প তার এই অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেননি।


       ট্রাম্প আরও বলেন, "এই কাজটি সম্পূর্ণ অবৈধ, এবং আমি আশা করি বিচার বিভাগ গুগলকে অপরাধমূলকভাবে অভিযুক্ত করবে। যদি তা না হয়, তবে আমি প্রেসিডেন্ট হলে তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ পর্যায়ে মামলা করব।"


গুগলের প্রতিক্রিয়া ও পূর্বের অভিযোগ:


       এই অভিযোগের বিষয়ে গুগল তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে এটি প্রথমবার নয়, ২০১৯ সালেও ট্রাম্প একই ধরনের অভিযোগ তুলেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, গুগল ২০১৬ সালের নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ বেশি দেখিয়েছিল। গুগল তখন সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছিল।


       সম্প্রতি, ট্রাম্পের সমর্থকদের মধ্যে আবারও এই অভিযোগ উঠেছে। জুলাই মাসে ট্রাম্পের ওপর একটি হত্যাচেষ্টার ব্যর্থতার পর, ইলন মাস্ক X-এ (পূর্বে টুইটার) গুগলের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের নাম সার্চ ফলাফলে ব্যান করার অভিযোগ আনেন।


নির্বাচন ও প্রযুক্তি: নতুন দ্বন্দ্ব?


       ট্রাম্পের অভিযোগ মূলত প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর তার ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের প্রতিফলন। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, প্রযুক্তি জায়ান্টদের ভূমিকা এবং তাদের প্রভাব নিয়ে বিতর্ক আরও বেড়েছে। বিশেষত, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সার্চ ইঞ্জিনগুলোর কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন অনেক রাজনীতিবিদ।


      এবারের নির্বাচনে ট্রাম্প জিতলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর উপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণের সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। এর ফলাফল ভবিষ্যতে প্রযুক্তি ও রাজনীতির মধ্যে নতুন ধরনের দ্বন্দ্ব তৈরি করতে পারে।



Post a Comment

Previous Post Next Post